এই বছরটা যেন সংস্কৃতি অঙ্গনের জন্য একটি শনির বছর! সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সব শাখার মতো চলচ্চিত্রাঙ্গনেও খরা চলছে। নি®প্রাণ হয়ে পড়েছে বিএফডিসি!
দর্শক সঙ্কট, ভালো গল্পের অভাব, সিনেমা হল ভেঙে ফেলা এবং আধুনিক প্রচার ও কাঠামোগত সংকটের কারণে বাংলা চলচ্চিত্রের দীর্ঘমেয়াদি খরা যেন কাটছেই না। মাঝেমধ্যে কিছু ছবি আশার আলো দেখালেও সামগ্রিক চিত্রটি এখনো বেশ অস্বস্তিকর।
দর্শক সঙ্কটে একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে প্রেক্ষাগৃহ। হলে দর্শক না-টানার পেছনে সবচেয়ে বড়ো সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে মানসম্মত চিত্রনাট্য ও পর্যাপ্ত বাজেটের অভাব। রয়েছে পাইরেসি ও ইন্টারনেটে সিনেমা ফাঁস হয়ে যাওয়ার প্রবণতা। এছাড়াও শুটিং স্টুডিও ও কাঠামোগত সুযোগ-সুবিধার বেহাল দশা। এখান থেকে পরিত্রাণের উপায় গল্প ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে। সিনেমা হলগুলোর পরিবেশ উন্নত করে দর্শক ফেরাতে হবে। পাইরেসি রোধে কঠোর আইন প্রয়োগ ও সচেতনতা দরকার। সেইসাথে সারাবছর মানসম্মত সিনেমা মুক্তির নিশ্চয়তা। বর্তমানে দুই ঈদ উপলক্ষ্যে বড়ো বাজেটের ছবি নির্মাণ হচ্ছে। এখান থেকে বের হয়ে সারাবছর বড়ো বাজেটের ছবি মুক্তির পরিকল্পনা করতে হবে। ভালো ছবি হলে দর্শক ছবি দেখতে সিনেমা হলগুলোতে এসে ছবি উপভোগ করেন তার একটি প্রমাণও ইতোমধ্যে পাওয়া গেছে। সারাবছর হলে দর্শক টানতে না-পারলেও বছরের দুই ঈদে বাংলা চলচ্চিত্রের উৎসব উৎসব ভাবটা দেখা যায়। ঈদ-নির্ভরতা দেখে প্রশ্ন এসে যায় তবে বাংলা সিনেমার জন্য কেবল সাময়িক ‘লাইফ সাপোর্ট’ হয়ে দাঁড়িয়েছে ? যখন বছরের প্রায় সব বড়ো বাজেটের ছবি ঈদকেন্দ্রিক হয়ে পড়ে, তখন চলচ্চিত্র শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা থাকাটাই স্বাভাবিক। সারাবছরে সিনেমার মুক্তির ব্যাপারে কারো কোনো মাথা ব্যথা নেই, ঈদ এলেই যেন প্রযোজকেরা প্রতিযোগিতায় নামে তার ছবিটি মুক্তি দেবেন। একবারও ভাবেন না, ছবি ভালো হলেও ঈদ ছাড়াও ব্যবসা করা সম্ভব। দেশে সিঙ্গেল স্ক্রিন ও সিনেপ্লেক্স মিলিয়ে হলের সংখ্যা হবে প্রায় ১২০টি। এত কম সংখ্যক হলে যদি একাধিক ছবি মুক্তি দেওয়া হয়, লগ্নি ফেরত আসাটাই কষ্টসাধ্য। কারণ ঈদকে টার্গেট করে যেসব সিনেমা নির্মাণ করা হয়, বেশির ভাগ ছবিই বিগ বাজেটের। একসময় বছরজুড়ে নতুন সিনেমা মুক্তির যে স্বাভাবিক প্রবাহ ছিল, ঢাকাই চলচ্চিত্রের বাজার এখন তার ছিটেফোঁটাও ধরে রাখতে পারছে না।
বছর জুড়ে বড়ো বাজেটের সিনেমা মুক্তি না-পাওয়ার পেছনে কাজ করছে একধরনের ব্যবসায়িক ভীতি ও অবকাঠামোগত সংকট। প্রযোজক ও নির্মাতাদের মধ্যে একধরনের বদ্ধমূল ধারণা তৈরি হয়েছে যে, বড়ো কোনো উৎসবের ছুটি ছাড়া দর্শকদের হলমুখী করা প্রায় অসম্ভব। ‘প্রিয়তমা’, ‘সুড়ঙ্গ’ ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ বা ‘তুফান’-এর মতো ছবিগুলোর ব্যবসায়িক সাফল্য এই প্রবণতাকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। নির্মাতারা মনে করেন, উৎসবের আবহ ও পারিবারিক বিনোদনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে লগ্নি তুলে আনা যতটা সহজ, বছরের অন্য সময়ে তা ততটাই ঝুঁকিপূর্ণ। ফলে সারাবছর মানসম্মত সিনেমার এক চরম খরা দেখা দেয়। অতি ঈদ-নির্ভরতা বাংলা চলচ্চিত্রের সারাবছরের ব্যবসাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। বড়ো বাজেটের কয়েকটি ছবি ভালোমানের প্রেক্ষাগৃহ বাছাই করে থাকে। বাকি সিনেমাগুলো ভালো হল না পাওয়ায় এবং প্রচারণার অভাবে অবহেলায় পড়ে থাকে। সেই ছবিগুলো নিয়ে তেমন একটা আলোচনাও হয় না। যার ফলে অনেক ভালো সিনেমাও দর্শকদের নজরে আসার আগেই ‘ফ্লপ’ তকমা নিয়ে হল থেকে বিদায় নিতে হয়।
বর্তমানে দেশে নিয়মিত প্রদর্শনের হলের সংখ্যা ৭০টির মতো। এই অল্প সংখ্যক হলের ওপর নির্ভর করে যখন ডজন খানেক সিনেমা মুক্তির সিদ্বান্ত নেওয়া হয়, সেটা আত্মঘাতী ছাড়া অন্য কিছু নয়।
ঈদ উপলক্ষ্যে সিনেমা মুক্তি দিলে বছরের বাকি সময় হলগুলো প্রায় ফাঁকা থাকে, যা বিদ্যমান প্রেক্ষাগৃহগুলোকে টিকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব করে তোলে। একসঙ্গে অতিরিক্ত সিনেমা মুক্তি দিলে দিনশেষে তা কারো জন্যই সুফল বয়ে আনে না। তারকাবহুল সিনেমা যখন অধিকাংশ শো দখল করে, তখন ছোটো ও মাঝারি বাজেটের সিনেমাগুলো কোনো সুযোগই পায় না। এতে নির্মাতাদের আর্থিক ঝুঁকি কেবল বাড়েই না, বরং দর্শকও বছরের বাকি সময় ভালো সিনেমার অভাবে হলবিমুখ হয়ে পড়ে।
সব মিলিয়ে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই ঈদকেন্দ্রিক মুক্তি সাময়িকভাবে প্রযোজকদের কিছুটা আর্থিক স্বস্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে তা পুরো শিল্পের মেরুদণ্ড নড়বড়ে করে দিচ্ছে। একটি সুস্থ ও সচল ইন্ডাস্ট্রির জন্য প্রয়োজন বছর জুড়ে পরিকল্পিতভাবে সিনেমা মুক্তির একটি সুসংগঠিত পরিকল্পনা। ঈদে বড়োজোর তিন থেকে চারটি মানসম্মত ছবি মুক্তি দিয়ে বাকি ছবিগুলো সারাবছরের জন্য বণ্টন করে দেওয়া হলে হলের ব্যবসাও সচল থাকত এবং দর্শকদের সিনেমা দেখার নিয়মিত অভ্যাসটিও বজায় থাকত।
সঠিক পরিকল্পনা ছাড়া কেবল উৎসব ঘিরে ছবি মুক্তি, পুরো বছরের খরা কাটানো সম্ভব নয়। এই আশঙ্কা কাটাতে হলে প্রয়োজন সুষ্ঠু পরিকল্পনা এবং সারাবছর মানসম্মত সিনেমা মুক্তির সাহস।
একসময় যে এফডিসি শিল্পীদের পদচারণায় মুখরিত ছিল, শুটিংফ্লোরে রোজই লেগে থাকত উৎসবের আমেজ, সেখানে এখন সুনশান নীরবতা।
একটা সময় সিনেমার বিপণন হতো কাকরাইল থেকে। তার আগে গুলিস্তান, বিজয়নগরও সিনেমাপাড়া বলে পরিচিত ছিল। শেষের দিকে কাকরাইলের ২৫০-৩০০ প্রোডাকশন হাউজের অফিসে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে সিনেমার বিপণনব্যবস্থা। সেই কাকরাইল ছবি পাড়ায় এখন ভয়াবহ শূন্যতা। মাত্র ডজন খানেক অফিসে এসে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে ফিল্মপাড়া।

নতুন করে যারা প্রযোজনায় এসেছেন, তারা অফিস খুলেছেন নিকেতনে। প্রযোজক, পরিচালক, শিল্পীদের পদচারণায় যেন এফডিসির মতোই জেগে উঠছে নিকেতন।
বলে রাখা প্রয়োজন, বিশ্বব্যাপী কোভিড ছড়িয়ে পড়লে অন্যান্য কিছুর মতো বদলে যায় আমাদের চলচ্চিত্র অঙ্গনও। উত্থান ঘটে [ওটিটি]-র ওভার দ্য টপ প্লাটফর্মের। ‘চরকি’ আর ‘হৈচৈ’ বাংলাদেশ আসার আগেই ‘জানোয়ার’ বানিয়ে নতুন দিনের নিশান উড়িয়ে দেন রায়হান রাফী। এরপর এই প্লাটফর্মের বিষ্ফোরণ ঘটতে থাকে দ্রুত। ওয়েব ফিল্মের পাশাপাশি ওয়েব সিরিজের মতো বিদেশি কনসেপ্ট দেশি দর্শকদের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে।
কোভিড স্বাভাবিক হওয়ার পর ২০২২ খ্রিষ্টাব্দে ‘পরাণ’ ও ‘হাওয়া’ দিয়ে সূত্রপাত সিনেমার যুগ বদলের। রায়হান রাফী ও মেজবাউর রহমান সুমনের নির্মাণকৌশলে কাত ঢালিউড। মাল্টিপ্লেক্সে আঘাত করে বাংলা ছবির নতুন ঢেউ। পরের বছর রায়হান রাফীর ‘সুড়ঙ্গ’ আর হিমেল আশরাফের ‘প্রিয়তমা’ সেই ঢেউকে পরিণত করে সুনামিতে। ইংরেজি সিনেমাকে হারিয়ে বাংলা সিনেমার জয়ধ্বনি ওঠে মাল্টিপ্লেক্সে। এরপর এই গল্পে যুক্ত হয় ‘তুফান’, ‘বরবাদ’, ‘উৎসব’, ‘তাণ্ডব’, ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর মতো নতুন-নতুন অধ্যায়। তিন বছর একটানা রাফী-বন্দনার পর ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দে তার পাশে এসে বসেন তানিম নূর।
চলচ্চিত্রে এখন প্রবাহিত হচ্ছে নতুন পুঁজি। এই পুঁজির রং নিয়ে কথা উঠতেই পারে। কিন্তু সিনেমাশিল্পের বিকাশে নতুন পুঁজির বিকল্প নেই। পুরনো পুঁজি আর এখানে খাটছে না। ইমপ্রেস টেলিফিল্মের মতো গুটিকয়েক প্রতিষ্ঠান এখনো কর্মক্ষম। কিন্তু বাজারের জন্য ছবি না-বানিয়ে বছর-বছর নির্মাতা পয়দা করাই যেন এই সংস্থার উদ্দেশ্য। একইভাবে জাজ মাল্টিমিডিয়াও বিতর্কে জড়িয়ে আগের মতো সবল নেই। ফলে সিনেমা শিল্পের চাকা সচল রাখতে ভরসা করতে হচ্ছে নতুন জ্বালানির ওপর।
এফডিসি যখন নির্বাচন আর পিকনিক নিয়ে বছরভর ব্যস্ত, তখন নিকেতনে জেগে উঠছে সিনেমার নতুন ভূমি। নতুন চরের মতো সেই ভূমিতে জেগে উঠছে নতুন স্বপ্ন। আবাসিক এলাকা হলেও নিকেতনের ফ্ল্যাটে ফ্ল্যাটে নির্মাতা, প্রযোজকদের অফিস, এডিটিং প্যানেল, সাউন্ড স্টুডিওতে নতুন নতুন সৃষ্টির আমেজ।
এফডিসির সভা, সমিতি, কোন্দল আর কেওয়াজের বিপরীতে নিকেতন ধেয়ে আসছে গুণগত পরিবর্তনের পতাকা হাতে। বিদেশি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে লাল-সবুজের প্রতিনিধিত্ব করছে নিকেতন। বাইরে থেকে পুঁজি আনছে দেশে। উল্টোপিঠে এফডিসি নিজের ঐতিহ্য, অতীত আর গৌরব নিয়ে ক্রমাগত ডুবছে...।
বাংলা সিনেমা ও প্রেক্ষগৃহের বর্তমান এই সংকটময় পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরেই চলচ্চিত্র নির্মাতা, শিল্পী ও দর্শকদের ভাবিয়ে তুলছে। দর্শক হলের দিকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার এবং এর ফলে একের পর এক সিনেমা হল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পেছনে বেশ কিছু বাস্তব কারণ রয়েছে, মানসম্মত গল্পের ও নির্মাণের সঙ্কট: অনেক সময় চলচ্চিত্রে চেনা গতানুগতিক ধারা, দুর্বল চিত্রনাট্য এবং নিম্নমানের নির্মাণশৈলী থাকে, যা বর্তমান সময়ের দর্শককে আকৃষ্ট করতে ব্যর্থ হয়। দর্শক এখন রুচিশীল ও মানসম্মত গল্প দেখতে চায়। বিকল্প বিনোদনের সহজলভ্যতা: ওটিটি প্লাটফর্ম [ওটিটি], ইউটিউব এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘরে বসেই সহজেই বিভিন্ন দেশের মানসম্মত ওয়েভ সিরিজ, সিনেমা বা নাটক দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। টিকিটের টাকা খরচ করে এবং যাতায়াত করে হলে যাওয়ার ঝোঁক তাই অনেকেরই কমে গেছে। সিনেমা হলের পরিবেশ ও সুযোগ-সুবিধার অভাব : দেশের বহু জেলা ও উপজেলার পুরনো সিনেমা হলগুলোর পরিবেশ আধুনিক ও আরামদায়ক নয়। ভালো সাউন্ড সিস্টেম, এসি এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশের অভাবে পরিবার বা তরুণ সমাজ হলবিমুখ হচ্ছে। যদিও আধুনিক সিনেপ্লেক্সের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে, তবে তা চাহিদার তুলনায় খুবই কম। তাছাড়া সিনেপ্লেক্সগুলোতে টিকেটের মূল্যও অধিক। সিনেপ্লেক্সে একটি টিকেটের সর্বনিম্ন মূল্য ৪০০ টাকা। সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা। বাংলা সিনেমার বেশির ভাগ দর্শক মধ্যবিত্ত। তারা পরিবার নিয়ে সিনেমা দেখে থাকেন। ধরা যাক তিন সদস্যের একটি পরিবার সিনেপ্লেক্সে সিনেমা দেখতে যাবেন, পরিবারটিকে গুনতে হবে তিন থেকে চার হাজার টাকা। টিকেটের পাশাপাশি ট্রান্সপোর্ট খরচ, রিফ্রেসমেন্ট মিলিয়ে ওরকমই খরচ হবে। এখন একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে তিন/চার হাজার টাকা খরচ করে সিনেমা দেখা সম্ভব নয়। কাজেই এই দর্শকগুলো হারাচ্ছে হল কর্তৃপক্ষ। অথচ টিকেটের মূল্য ও রিফ্রেসমেন্টের খরচ যদি তাদের নাগালের মধ্যে থাকত, তাহলে সিনেমা প্রযোজকেরা যেমন লাভবান হতেন, হল মালিকরাও লাভবান হতেন। বর্তমান বাজার অনুযায়ী হল মালিকরা হয়তো বলবেন বিদ্যুৎ বিল, শুল্ক মিলিয়ে টিকেটের মূল্য কমানো সম্ভব নয়, এক্ষেত্রে সরকারেরও বড়ো একটি ভূমিকা রয়েছে এই মাধ্যমকে শিল্পে পরিণত করার জন্য। শুধু কাগজে-কলমে চলচ্চিত্রকে শিল্প ঘোষণা করলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। চলচ্চিত্রশিল্পের জন্য সরকারকেও এগিয়ে আসতে হবে, যেমন বিদ্যুৎ বিল কমানো, নিরবিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ রাখা, শুল্ক কমানো, সেইসঙ্গে নতুন সিনেমা হলের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা।
এটাও সত্য যে, যখনই কোনো ব্যতিক্রমী গল্প, চমৎকার নির্মাণ বা তারকাবহুল ভালো সিনেমা মুক্তি পেয়েছে, ঠিক তখনই দর্শকেরা দলবেঁধে সিনেমা হলে ছুটে গেছেন— এই প্রবণতাই প্রমাণ করে যে, ভালো কাজের জন্য দর্শক আজও মুখিয়ে আছেন। এই সঙ্কট উত্তরণে প্রয়োজন যুগোপযোগী গল্প, নিয়মিত ভালো মানের সিনেমা নির্মাণ এবং বছর ধরে ছবি মুক্তির সুশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করা।