দর্শক চাহিদা পূরণে ক্রমান্বয়ে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে মাল্টিপ্লেক্স সিনেমা হল ‘স্টার সিনেপ্লেক্স’। রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন শহরে চালু হচ্ছে নতুন নতুন শাখা। সেই ধারাবাহিকতায় গেল ঈদুল ফিতরে স্টার সিনেপ্লেক্সের যাত্রা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও করতে পারেন নি। সেজন্য স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ দর্শকদের কাছে দুঃখও প্রকাশ করে। আজ ৭ এপ্রিল শাখাটি উদ্বোধন করা হয়। শুরুতে স্বল্প পরিসরে দুপুর এবং বিকেলের দু’টি শো চলবে। খুব শিগগিরই পুরোদমে সবগুলো শো চালু হবে বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির মিডিয়া ও মার্কেটিং বিভাগের এজিএম মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘নারায়নগঞ্জের দর্শকদের কাছে আমরা আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করছি যে, পূর্বনির্ধারিত সময়ে আমরা শাখাটি চালু করতে পারিনি। অনেক দর্শক এর জন্য অপেক্ষা করেছিলেন। এবার দর্শকদের অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। নারায়নগঞ্জের দর্শকদের দীর্ঘদিনের আকাঙ্খা পূরণ করতে পেরে আমরা আনন্দিত। কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে আমরা দু’টি শো দিয়ে শুরু করছি। কয়েকদিনের মধ্যে সবগুলো শো পুরোদমে চালু হয়ে যাবে।’

নারায়নগঞ্জের জালকুঁড়িতে অবস্থিত সীমান্ত টাওয়ারে স্থাপিত হয়েছে এই মাল্টিপ্লেক্স। ৩টি হল রয়েছে এখানে। যার মধ্যে দু’টি হলের প্রতিটিতে ১৭৮ আসন এবং ১টি হলে থাকছে ৭৫ টি আসন। বরাবরের মত নান্দনিক পরিবেশ, সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসম্বলিত সাউন্ড সিস্টেম, জায়ান্ট স্ক্রিনসহ বিশ্বমানের সিনেমা হলের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা নিয়ে হলগুলো নির্মিত হয়েছে। নতুন নতুন শাখা চালু সম্পর্কে মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘চলচ্চিত্র শিল্প উন্নয়নে ভালো ভালো সিনেমা যেমন প্রয়োজন তেমনি ভালো সিনেমা হলও প্রয়োজন। সময়ের সাথে দর্শকের রুচি বদলেছে। দর্শক একটা সুন্দর পরিবেশ চায়, নিরাপত্তা চায়। উন্নত মানের স্ক্রিন, সাউন্ড সিস্টেম সিনেমাকে দর্শকের কাছে উপভোগ্য করে তোলে। আমরা শুরু থেকেই এই বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিচ্ছি। দর্শকরা আমাদেরকে গ্রহণ করেছেন বলে আমরা ক্রমান্বয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। এই বছরের মধ্যে আমাদের আরও কিছু শাখা চালুর প্রস্তুতি চলছে। বড়ো শহরগুলোর পর পর্যায়ক্রমে জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও স্টার সিনেপ্লেক্সকে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’
বর্তমানে ঢাকার বসুন্ধরা সিটি শপিং মল, সীমান্ত সম্ভার (পূর্বের রাইফেলস স্কয়ার), এসকেএস টাওয়ার, সামরিক জাদুঘর এবং মিরপুর ১ নম্বর, চট্টগ্রামের বালি আর্কেডে স্টার সিনেপ্লেক্সের শাখা রয়েছে। বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন শহরে শাখা নির্মাণের কাজ চলছে। এ ছাড়া ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় আরও শাখা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে। এই বছরের মধ্যে আরও কিছু শাখা চালুর প্রস্তুতি রয়েছে বলেও সুমন জানান।