ওপার বাংলার এক প্রযোজকের কাছ থেকে অগ্রিম অর্থ নিয়ে চুক্তিবদ্ধ হয়েও সিনেমায় অভিনয় না করা এবং অর্থ ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠে মডেল ও অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে। ২৩ নভেম্বর রাত থেকেই বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনায় আসে।বিষয়টি নিয়ে তানজিন তিশা ২৪ নভেম্বর রাতে ‘ভালোবাসার মরশুম’ সিনেমা ইস্যুতে নিজের অফিসিয়াল বিবৃতি ফেসবুকে প্রকাশ করেন। তিনি তার ভেরিফাইড ফেসবুকে পোস্ট দেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় পরিচালক এম.এন. রাজের সাথে আমার সিনেমা করার বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু ভুল তথ্য ছড়ানো হয়েছে। বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও রটানো খবর।’‘আমি যখন সিনেমাটি সাইন করি, আমার আইনজীবীর মাধ্যমে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করি। সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল বিদেশ ভ্রমণের ভিসা, ফ্লাইট টিকিট, থাকা-খাওয়ার সব দায়িত্ব প্রোডিউসার ও ডিরেক্টরের। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তারা আমার ভিসা করাতে ব্যর্থ হয়। আমি ব্যক্তিগত উদ্যোগেও চেষ্টা করেছি কিন্তু তাও হয়নি।

চুক্তি অনুযায়ী ভিসা করানো যেহেতু তাদের দায়িত্ব, এ বিষয়ে আমার ওপর কোনো দায় বর্তাতে পারে না।’তিশা আরো জানান দুই মাস অপেক্ষার পরও ভিসা না পেয়ে পরিচালক অন্য একজন অভিনেত্রীর সঙ্গে চুক্তি করেন এবং তাকে দিয়ে শুটিং শুরু করেন। এরপর তিশা দেশে ফিরে বাংলাদেশের ‘সোলজার’ সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হন। বর্তমানে সেই ছবির শুটিং চলছে।তানজিন তিশা অভিযোগ করেন, ‘লাইন প্রোডিউসার শরিফ একবার আমাকে বলছে এক-তৃতীয়াংশ টাকা ফেরত দিতে। আবার আমার আইনজীবীকে বলছে কিছু টাকা দিলেই হবে। আবার সাংবাদিকদের কাছে ভুল তথ্য দিয়ে আমার ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্থ করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এটি একটি অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়।’‘চুক্তিপত্রে কোথাও উল্লেখ নেই যে ডিরেক্টরের ব্যর্থতার কারণে কোনো সমস্যা হলে আমি টাকা ফেরত দিতে বাধ্য। আমি সর্বদা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আইন-আদালত যদি প্রমাণ করে আমি টাকা ফেরত দিতে বাধ্য, তাহলে অবশ্যই ফেরত দেব।’বলিউড অভিনেতা শারমান যোশির সঙ্গে ‘ভালোবাসার মরশুম’ সিনেমায় অভিনয়ের কথা ছিল তানজিন তিশার। ভিসা জটিলতার কারণে সে কাজ বাতিল হলে তিনি ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের বিপরীতে ‘সোলজার’ ছবিতে যুক্ত হন।